পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টার প্রধান আসামি কে এই নাসির?

বিনোদন

ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মামলা করেছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। মামলায় নাসির উদ্দিন ছাড়াও পরীমনির বন্ধু অমির নাম উল্লেখ করে আরও চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

রোববার রাতে পরীমনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার’ অভিযোগ তুললে সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। প্রতিকার চেয়ে তিনি বনানী থানায় গিয়ে কোনো সাড়া পাননি বলে অভিযোগ করেন। ফেসবুক পোস্টে বিচার চেয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহায্য কামনা করেন।

এরপর গতরাতে তিনি তার বনানীর বাসায় এক সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। জানা গেছে, মামলার প্রধান আসামি নাসির ইউ মাহমুদ ঢাকা বোট ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য (বিনোদন ও সংস্কৃতি)।ঢাকা বোট ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নাসির একজন আবাসন ব্যবসায়ী। উত্তরা ক্লাবেরও সাবেক সভাপতি তিনি।

চার দিন আগে উত্তরায় বোট ক্লাবে নাসির মাহমুদ তার উপর চড়াও হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন এই অভিনেত্রী। তার অভিযোগের বিষয়ে নাসিরের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।পরীমনির অভিযোগের বিষয়ে নাসিরের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।তার একটি মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে।

আরেকটি নম্বরে ফোন করলে তা ধরেন উত্তরা ক্লাবের এক কর্মচারী। তিনি বলেন যে এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। ঢাকা বোট ক্লাবের সভাপতি পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ। তার কাছে নালিশ দিতে গিয়ে সফল হননি বলে দাবি করেন পরীমনি। এ বিষয়ে পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নায়িকার অভিযোগ, গত বুধবার রাতে কস্টিউম ডিজাইনার জিমি ও জিমির বন্ধু অমিসহ তারা উত্তরায় বোট ক্লাবে গিয়েছিলেন। ক্লাবটা তখন বন্ধ হয় হয়। দুজন বয়স্ক ব্যক্তি এসে তাদের মদপানের আমন্ত্রণ জানায়, যাদের একজন নাসির মাহমুদ বলে পরীমনির ভাষ্য। তবে শরীর খারাপ বলে তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন পরীমনি।

তিনি বলেন, জোরাজুরির এক পর্যায়ে তাকে মারধর করে কিছু লোক। এক পর্যায়ে নাসির মাহমুদ তার মুখে মদের বোতল ঠেসে ধরে গিলতে বাধ্য করেন। তখন তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। বিষয়টি চেপে যাওয়ার জন্য ওই ব্যবসায়ী তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছেন বলে অভিযোগ করেন পরীমনি